দ্বিতীয় পাতা , হাজীগঞ্জ

হাজীগঞ্জ শহর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মোঃ শামছুজ্জামান শামছু মুন্সী

person access_time 3 months ago access_time Total : 93 Views

এসএম মিরাজ মুন্সি, হাজীগঞ্জ ঃ হাজীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী রান্ধুনীমুড়া মুন্সী বাড়ির কৃতি সন্তান মো. শামছুজ্জামান মুন্সী হাজীগঞ্জ শহর আওয়ামীলীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ হাজীগঞ্জ উপজেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম সূজাওয়াত আলী মুন্সীর দৌহিত্র ও হাজীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) ও জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম বিএসসি‘র ছোট ভাই ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মরহুম হোসেন ইমাম হায়দার মুন্সীর ভাতিজা শামছুজ্জামান মুন্সী। তিনি ঐ বাড়ির সাবেক সরকারি কর্মকর্তা মরহুম সুবেদার (অব:) আব্দুল হামিদ মুন্সীর তৃতীয় সন্তান। ছাত্রজীবন থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতির মাধ্যমে রাজনীতিতে হাতেখড়ি শামছুজ্জামান মুন্সীর। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ হাজীগঞ্জ শহর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আসীন রয়েছেন। আসছে অল্প কয়েকদিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে হাজীগঞ্জ শহর আওয়ামীলীগের সন্মেলন। এই সন্মেলনকে ঘিরে ইতিমধ্যে হাজীগঞ্জের আওয়ামী রাজনীতির পাশাপাশি দলের রাজনীতিবিদদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্ব পাচ্ছে। হাজীগঞ্জের রাজনীতিতে শহর কমিটি আন্দোলন সংগ্রামে অনেক গুরুত্ব বহন করে থাকে। তাই এই কমিটি নিয়ে সবার মাঝে কমবেশী আগ্রহ বিদ্যমান। স্থানীয় সংসদ সদস্য জনাব মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপি‘র বিশ্বস্থ রাজনীতিবিদ শামছুজ্জামান মুন্সী এবারে অনুষ্ঠিত ত্রি-বার্ষিক সন্মেলনে হাজীগঞ্জ শহর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক পদে প্রার্থী হচ্ছেন । দীর্ঘ দুই যুগের অধিক সময় ধরে তিনি আওয়ামী রাজনীতি করে আসছেন। দলের সকল পর্যায়ের আন্দোলন সংগ্রামে তার ছিলো অগ্রনী ভূমিকা। জানা যায়, রাজনৈতিক জীবনে শামছুজ্জামান মুন্সী বাংলাদেশ ছাত্রলীগ হাজীগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতির পদ পান ১৯৯৭ সাল, উপজেলা ছাত্রলীগের কোষাধ্যক্ষ হন ১৯৯৯ সালে, ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন হাজীগঞ্জ উপজেলার ৬,৭,৯,১০ নং ইউঃ ও পৌর ১০,১১,১২ ওয়ার্ডের মনিটরিং কমিটির সদস্য ছিলেন। ২০০৩ সালে সাংস্কৃতিক সংগঠন উদিচী শিল্প গোষ্ঠী হাজীগঞ্জ শাখার যুগ্ন আহবায়ক,২০০০ সালে উপজেলা ছাত্রলীগ(উত্তরাঞ্চল) সন্মেলন প্রস্ততি কমিটির যুগ্ন আহবায়ক,২০০৪ সালে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ন-আহবায়ক,২০০৫ সালে জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ (শাহির পাটঃ ও মিঠুন ভদ্র) কমিটির সদস্য,২০০৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটি হাজীগঞ্জ উপজেলা শাখার সদস্য,২০১২ সালে হাজীগঞ্জ পৌর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক,২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটি হাজীগঞ্জ উপজেলা শাখার সদস্য পদে আসীন ছিলেন। অপরদিকে রাজনীতি করতে গিয়ে শামছু মুন্সীকে বহু বিষয়ে ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। ১৯৯৬ সালে ছাত্রলীগে থাকাকালীন সময়ে বিএনপি জোট সরকারের বিরুদ্ধে লাগাতর অসহযোগ আন্দোলনে ছিলেন রাজপথের লড়াকু সৈনিক। একই বছর বিএনপি জামায়াত জোটের হাতে লাঞ্চিত হাজীগঞ্জের আওয়ামীলীগৈর শীর্ষ কয়েকজন রাজনীতিবিদকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার ও অস্ত্র-গুলিসহ কয়েক সন্ত্রাসীকে পুলিশের হাতে তুলে দিতে সক্রিয় ভুমিকা পালন করেছিলেন। ২০০১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের রাজনীতি ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্রে সক্রিয় ভূমিকা রাখার দায়ে বিএনপি জামায়াতের কতিপয় সন্ত্রাসীর হামলায় তার পারিবারিক ৪ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর ও লুটপাট চালায় এবং পুড়িয়ে দেয়। একই চক্র ঐ সময় ওনার বসত বাড়িতে ডুকে বসত ঘর ভাংচুর আর পেট্টল দিয়ে আগুন লাগানো অবস্থায় বাড়ির অন্নান্যরা এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা পিছু হটে। এর পর বিএনপি জোট ক্ষমতায় থাকাবস্থায় ওনার নামে ৭টি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিভিন্নভাবে তাকে প্রায় ৩বছরের মত পলাতক জীবন অতিবাহিত করতে হয়েছে বলে জানান শামছুজ্জামান মুন্সী। দলের জন্য জীবনের দীর্ঘ সময় কাজ করলেও কোন দিনও কাহারো কাছ থেকে কোন ধরনের সুবিধা নেননি দাবী করে তিনি জানান, ১/১১তে নেত্রীর মুক্তি আন্দোলনে সব সময় রাজপথে ছিলাম ও কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী গনস্বাক্ষর,গনঅনশন সহ দলের সকল কর্মসূচীতে রাজপথে সক্রিয় ছিলাম। দলের সাঃ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হলে দলের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি থেকে উত্তরনে আপনার পরিকল্পনা কি জানতে চাইলে শামছুজ্জামান মুন্সি সংক্ষিপ্তাকারে জানান, “আমি দলের সর্বোস্তরের নেতা কর্মীদেরকে কথা দিতে চাই আমি যদি দলের কাউন্সিলরদের সুচিন্তিত রায়ে উক্ত পদে নির্বাচিত হই, আমি হাজিগঞ্জ পৌর আওয়ামীলীগের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে তাদের মতামতের ভিত্তিতে দলের সাংগঠনিক নেত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী দলের ভেঙ্গে পড়া সাংগঠনিক কাঠামো পুনঃ-বিন্যাসে নিজেকে আত্ম-নিয়োগ করবো ইনশাআল্লাহ” তিনি আরো জানান যদি তিনি উক্ত পদে নির্বাচিত নাও হন তিনি দলের একজন নিরলস কর্মী হিসেবে আজীবন দলের নেতা কর্মীদের পাশেই থাকবেন। একই সাথে তিনি হাজিগঞ্জ শহর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে সবার দোয়া, ভালোবাসা, সমর্থন, সহযোগিতা সহ দলের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের সফলতা ও হাজিগঞ্জ পৌর আওয়ামীলীগের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সার্বিক মঙ্গল কামনা করেন।

content_copyCategorized under