প্রথম পাতা , ব্রেকিং নিউজ , হাজীগঞ্জ

হাজীগঞ্জে হোটেলগুলোতে খাবারের দাম উর্ধ্বমূখী ॥ জনগণ খাবারের নামে খাচ্ছে কি?

person access_time 1 month ago access_time Total : 43 Views

এস.এম.মিরাজ মুন্সী/ সুজন দাস, হাজীগঞ্জ ঃ হাজীগঞ্জ বাজার জেলার সহ সারা দেশে সুনামের সাথে হোটেল ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে এতে হাজীগঞ্জে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষরা হোটেল গুলোতে ভিড় দেখা যায়। পবিত্র ঈদুল আযাহার পরর্বতী সময় থেকে প্রতিটি খাবারের তালিকা খাবারের দাম বেড়েছে। এতে সাধারণ মানুষ সহ নানা ভাবে প্রতিবাদ জানালেও প্রশাসন নিউজ লেখা পর্যন্ত কোন প্রতিকার নেয় নিয়। সাধারণ মানুষরা তাদের সামাজিক ফেজবুকে এটি নিয়ে নানা মন্তবের জড় দেখা যায়। বেকারী যাতীয় খাদ্য কিংবা হোটেলের খাদ্য যাই বলি না কেন মূলত হাজীগঞ্জের মানুষ খাবারের নামে কি খাচ্ছে। যাই খাচ্ছে তা কি খাবারের আওতায় পড়ে। আবার সম্প্রতি হাজীগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে বেকারী, কলার আড়ৎ থেকে জরিমানা করলেও মূলত বন্ধ হচ্ছে না ফরমালিন ও হাইড্রোজ ব্যবহার। এখন প্রশ্ন হাজীগঞ্জের মানুষের মাঝে। হাজীগঞ্জ বাজার ও উপজেলার হাট বাজারগুলো ঘুরে দেখা যায় বেকারী জাতীয় সামগ্রীতে চলছে রঙ ও প্লেভার মিশানো খাবার তৈরির ধুম। বেড়েছে খাবারের দাম, সেই সাথে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত কলা ও ফলফলাদিতে মিশানো হচ্ছে জীবন ধ্বংসকারী বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ। সম্প্রতি হাজীগঞ্জ বাজারে ৬০/৭০ টাকা কেজি দরে এক ধরনের খোলা সলটেস বিস্কুট ভ্যানে করে ফুটপাতে বসে বিক্রি করছে। এর উৎপাদন জেলার গন্ডির বাইরে হলেও এ ধরনের বিস্কুট কোথায়, কি ধরনের পরিবেশে কিংবা কি দিয়ে তৈরি হচ্ছে তা কারও বোধগম্য নয়। প্যাকেটের গায়ে নেই কোন বিএসটিআই অনুমোদিত এর প্যাকেট জাত করার জন্য কোন ধরনের প্যাকেট না থাকার কারণে বি.এস.টি.আই অনুমোদন ও মেয়াদ উর্ত্তীণ কোন সিল বা প্রমাণাদি নেই। একটু মসমছে হওয়াতে গ্রাহক এ ধরনের বিস্কুট খোলা বাজার থেকে হরদমছে কিনে নিয়ে যাচ্ছে। আবার হাজীগঞ্জে রয়েছে বেশ কয়েকটি বেকারী। যারা নিজেরাই বিস্কুট, পাউরুটি, চানাচুর সহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী উৎপাদন করছে। এর অনেকগুলোর গায়ে উৎপাদনের মেয়াদ থাকলেও বি.এস.টি.আই এর কোন অনুমোদনের সিল নেই। অনেক বেকারীতে দেখা যায় পুরাতন তৈল, খোলা বাজারের ডালডা ও নোংরা পরিবেশে বেকারী সামগ্রী তৈরি হচ্ছে। আবার উপজেলার শহরের বাইরে বাজার গুলোতে প্রতি বাজারেই ২/১ করে বেকারী রয়েছে। যারা নিজেরা বিস্কুট ও পাউরুটি সমাগ্রী তৈরি করে বাজারে সরবরাহ করে আসছে। যাদের খাদ্য সামগ্রী উৎপাদন ও বাজারজাত করনের কোন ধরনের অনুমোদন নেই। অন্য দিকে প্রতিদিন হাজীগঞ্জে খাগড়াছড়ি থেকে কাচা কলা ২/৩ ট্রাক করে বিভিন্ন বাজারে নামানো হচ্ছে। এ সব কলা ট্রাক থেকে নামানোর সময় সম্পূর্ণ কাচা থাকে। আড়তদার কলা বিক্রেতারা ট্রাক থেকে কলা নামিয়ে গুদামের মধ্যে বিষাক্ত কেমিক্যাল মিশিয়ে ৬/১০ ঘন্টার মধ্যে তা পাকিয়ে বাজারে বিক্রি করছে। যা জনস্বাস্থ্যে জন্য মরাত্মক হুমকি। এ সব নিয়ে কর্তৃপক্ষের কোন মাথা ব্যাথা আছে বলে মনে হয় না।

content_copyCategorized under