প্রথম পাতা , হাজীগঞ্জ

হাজীগঞ্জে শারদীয় দূর্গাপূজা জেলার মধ্যে ব্যতিক্রম আয়োজন

person access_time 2 weeks ago access_time Total : 26 Views

সুজন দাস ঃ এবার চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ বাজার কেন্দ্রীক যে পাচটি পূজা অনুষ্টিত হয়েছে তাদের মধ্যে ছিলো ভিন্ন ভিন্ন ও ব্যতিক্রম আয়োজন। যা চাঁদপুর জেলা কখনো কোন মন্দিরে করতে পারেনি বলে পূজা মন্ডপগুলোতে এসে ভক্তরা জানা। তারা বলেতে দেখা গেছে কুমিল্লা জেলা সহ নেয়াখালি অঞ্চলের অনেক মানুষ এভার হাজীগঞ্জের পূজা দেখে অন্দন্দিত হয়েছে। এবা হাজীগঞ্জজের যে চারটি পূজা হয়েছে তার মধ্যে প্রতিমা সেরা বলা যায় এবার নতুন পূজা হাজীগঞ্জ পৌর মহা শশ্মানে ত্রিশূল সংঘের পূজা এটিতে ছিলো প্রতিমার এবং দৃষ্টি নন্দন মন্দিরের প্রবেশ গেইটও সেরা আকর্ষন যা জেলার কোথাও দেখা যায় না। এখানে ছিলে নিরাপত্তার জন্য সিসি ক্যামরা, ডাকাতিয়া নদীর তীর গেঘে বয়ে যাওয়া রাস্তার দুই পাশে ছিলে আলোর ধারা, প্রায় আধা কিলোমিটার ছিলে আকর্ষনীয় মন্দির প্রাঙ্গন। এই পূজা রাতে অনেক ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ছিলো নানা আয়োজনের এই মন্ডেপের ভরপূর। হাজীগঞ্জ বাজার কেন্দ্রিক পূজার মধ্যে দ্বিতীয় স্থানের রয়েছে হাজীগঞ্জে শ্রী শ্রী রাজা লক্ষ্মী নারায়ন জিউর আখড়া এবার মাত্রী আরাধনা জেলার মধ্যে এরা এই প্রথম ভক্তদের কে উপহার দিয়ে ডেকোরেট দিয়ে জেলার প্রথম বলা যায়। ছিলে এই মন্দিরে তিনটি টি দূর্গাদেবীর প্রতিমা যাহা বাস্তবে চলা চল করে মনে হয়। বাদ্য যন্ত্রের সাথে সাথে প্রতিমার বদল আর প্রতিমার মহিসাসূরকে বধ ও সন্তনা মা-বাবাকে যেন বৃদ্ধাশমে না পাঠায় তার উপরে গণেরে চরিত্রটি ফুটে তুলেছে। এক দূর্শ্য সব ভক্তদের আকর্ষনে আনার চেষ্টা করেছে। এই ছাড়া হাজীগঞ্জ নব দূর্গা নামে আরো একটি পূজা সব ভক্তদের মধ্যে আরো আনন্দ বাড়িয়ে দিয়েছে বলেন পূজার বস্তবতা থেকে ময়ূর রুপে মায়ে মন্ডপ সাজিয়েছে এই নবদূর্গা পূজা। এই পূজা মন্ডেপে রয়েছে দুইটি দূর্গা দেবীর প্রতিমা চলা চলের আকর্ষন। হাজীগঞ্জ পৌর মহাশশ্মানে পূজা মন্ডেপে রয়েছে চাঁদপুরে প্রথমা এত বড় প্রতিমা, এই মন্ডপে প্রবেশ করা সময়ে দেখা নানা আকর্ষনের গেইট লাইটিং প্রবেশ গেইন, যা ভক্তদের আকর্ষন। এই বছর হাজীগঞ্জ পূজা প্ররিক্রমার ব্যতিক্রম যেন গভীর রাত পর্যন্ত ভক্তরা পূজা মন্ডপ গুলোর বিশেষ বিশেষ অনুষ্টান মালায় পূরিপূন ছিলে হাজীগঞ্জ জমিদার বাড়ির পূজা মন্ডপ সেই সাথে স্বামী বিবেকান্দদ বিদ্যা পঠে ছিলে পূজার সময় ভক্তদের উপচ্ছে পড়া ভীড়।

content_copyCategorized under