প্রথম পাতা , শীর্ষ খবর , ব্রেকিং নিউজ , হাজীগঞ্জ

হাজীগঞ্জে প্রাইভেট-কোচিং সেন্টারের নামে বাণিজ্য

person access_time 2 months ago access_time Total : 107 Views

স্টাফ রিপোর্টার ঃ কোচিং এবং প্রাইভেট সেন্টারের জন্য নির্দিষ্ট আইন থাকার পরও তা মানছে না চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার স্কুল-কলেজের কতিপয় শিক্ষক। তারা প্রাইভেট ও কোচিং সেন্টারের নামে শিক্ষাবাণিজ্য অব্যাহতভাবে চলায় শিক্ষার্থী এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা চরম বেকায়দায় পড়েছেন উপজেলার বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষকরা নানা ডিগ্রি উলেখ করে সাইবোর্ড টাঙিয়ে শিক্ষাবাণিজ্য করলেও সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নীরব রয়েছেন। নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর পর পরই শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন ধরনের চমকপ্রদ লিফলেট বিতারণ এবং পোস্টার শোভা পাচ্ছে উপজেলার বিভিন্ন দেয়ালে দেয়ালে। প্রাইভেট ও কোচিং সেন্টারের উদ্যোক্তাদের প্রচার করা লিফলেট ও পোস্টার দেখে সহজে আকৃষ্ট হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। পরীক্ষার ফলাফল ভালো পাওয়ার আশায় বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা ঐসব প্রাইভেট ও কোচিং সেন্টারে ঝুঁকে পড়ছে। ফলে উপজেলার ভালো ভালো স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পাচ্ছে। উপজেলা সদরের বিভিন্ন স্থানে নামে-বেনামে শতাধিক স্থানে প্রাইভেটের নামে কোচিং সেন্টার রয়েছে এবং কিছু কিছু স্কুলে অতিরিক্ত ক্লাসের নামে কোচিং সেন্টার চলছে। আবার আনেক স্কুলও কলেজে বাড়িতে বা অন্য কোন শিক্ষাকের কাছে পাইভেট পড়া যাবেনা। হাজীগঞ্জ শহরের বেশি ভাগ নামি দমি কলেজের ও স্কুলের বিষয় বিত্তিক বিষয়ে বিভিন্ন পেকেজে পাইভেট পড়ানে বেপারটি শিক্ষার ক্লাসে শিক্ষার্থীদেও পরার্মশ প্রকাশ করি। একের ভিতরে সব বিষয় পড়ানো প্রতিযোগিতা আর দেখা যায় শিক্ষক দের মধ্যে প্রতিযোগিতা । নাম প্রকাশে এক প্রধান শিক্ষক বলেন শিক্ষকদেরকে বেশি করে ক্লাসে অগ্রহ দেখাতে বললে তারা বিভিন্ন রাজনৈতিক ও স্কুলের নানা অভিযোগ তয়কার করেনা। হাজীগঞ্জ পালিশারা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেনীর এক ছাত্রী বলেন, আমার বড় ভাই ঢাকাবিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে অর্নাস শেষ করে বাড়িতে আমাকে ও আমার আশেপাশে ছেলে-মেয়দের পড়াতেন কিন্তু স্কুলে প্রধান শিক্ষসহ অন্যআন্য শিক্ষকরা আমাদের বিভিন্ন ভাবে অবহেলা ও পরামশ দিয়ে বলেন স্কুলের অতিরুক্ত ক্লাস (প্রাইভেট) পড়ার জন্য। এক শিক্ষিত-বেকার বলেন, আমরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যলয় থেকে শিক্ষ অর্জন করে বেকার আছি আমরা কিছু সংখ্যা ছেলে মেয়ে পড়িয়ে নিজেরা চলতাম কিন্তু এবার বিভিন্ন শিক্ষ প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত ক্লাসের নামে (প্রাইভেট ও কোচিং) পড়ানো হয় এতে বেকারদের নানা সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। ঐসব প্রাইভেট ও কোচিং সেন্টারে পড়–য়া শিক্ষার্থীরা জানায়, তাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা শ্রেণীকক্ষে যেভাবে পাঠদান করান তার চেয়েও অনেক বেশি মনোযোগী এবং সময় নিয়ে প্রাইভেট পড়ান। এতে বাধ্য হয়ে ঐসব বিষয়ে পৃথক পৃথক মাসিক ফি দিয়ে প্রাইভেট পড়তে হয়। শুধু প্রাইভেট না পড়ার কারণে অনেক ছাত্রছাত্রীকে স্কুলের পরীক্ষায় নম্বর কম দেয়া হয়। উপজেলার বেশির ভাগ গরিব ও দরিদ্র পরিবারের অভিভাবক খরচ জোগানোর অভাবে সন্তানদের কোচিং সেন্টার ও প্রাইভেট পড়াতে পারছেন না। ফলে মেধাবীরা ভালো ফল করতে পারছে না। এ ব্যাপারে হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

content_copyCategorized under