প্রথম পাতা , শীর্ষ খবর , ব্রেকিং নিউজ

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে রেলপথমন্ত্রী মুজিবুল হক

person access_time 2 weeks ago access_time Total : 18 Views

স্টাফ রিপোর্টার ঃ রেলপথমন্ত্রী মোঃ মুজিবুল হক এমপি বলেছেন,বাংলাদেশর জনগনের জন্য সেবার মনোভাব নিয়ে রাজনীতি করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধামন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। রেলের মাধ্যমে যাত্রীদের সেবা দেয়ার লক্ষ্যে বিএনপির আমলে অবহেলিত রেলপথের দৃশ্যমান উন্নয়ন করেছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। নতুন নতুন ইঞ্জিন এনেছেন, কোচ এনেছেন, পুরাতন রেললাইন সংস্কার করেছেন, নতুন নতুন রেললাইন নির্মাণ করেছেন।স্টেশন সমূহ এবং সিগনালিং ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করেছেন।

মন্ত্রী আজ ৪ ডিসেম্বর রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিকাল ৩ ঘটিকায় কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। মন্ত্রী আরো বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় খুলনা-মংলা রেললাইন, দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন, ঢাকা-চট্টগ্রাম ডাবল লাইন, ঢাকা-নারায়নগঞ্জ ডাবল লাইন, কাশিয়ানী-গোপালগঞ্জ রেললাইন, ইশ্বরদী-পাবনা ঢালারচর রেললাইন ইতোমধ্যে নির্মিত হয়েছে। জয়দেবপুর-ইশ্বরদী রেললাইন, জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ-জামালপুর রেল লাইন, আখউড়া-সিলেট রেললাইন, পদ্মা সেতু রেলসংযোগ এবং যমুনা নদীর উপর বঙ্গবন্ধু রেলওয়ে সেতু নির্মাণ বাস্তবায়নাধীন রয়েছে আলোচনায় মন্ত্রী আরো বলেন, মাননীয় প্রধামন্ত্রী ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছেন ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-রাজশাহী, ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-দিনাজপুর, ঢাকা-খুলনা, ঢাকা-বরিশাল পায়রাবন্দর রুটে বুলেট ট্রেন চালু করা হবে। বাংলাদেশের সকল জেলাকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে। জনগণের কল্যাণে যিনি সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছেন- তিনি হলেন আমাদের প্রিয় নেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রেী শেখ হাসিনা। তাঁর নেতৃত্বে ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ আগামীতে উন্নত রাষ্ট্রের কাতারে পৌছবে। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আবার আসলে রেলের যুগান্তকারী উন্নয়ন করা হবে। বিএনপি আমলে রেল ছিল অবহেলিত। বর্তমান সরকার আলাদা মন্ত্রণালয় গঠন করে রেল সেবায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। এর আগে মন্ত্রী রেলওয়ে সেবা সাপ্তাহ-২০১৮ইং উপলক্ষ্যে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেনের সব কোচ ঘুরে দেখেন এবং ট্রেনের যাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। ঢাকা চট্টগ্রাম রুটের একমাত্র আন্তনগর বিরতীহীন ট্রেনে বিভিন্ন কোচে ওঠেন। পরে রেলের একেবারে প্রান্থে লোকেমোটিভ ইঞ্জিনে গিয়ে ট্রেন চালকের সঙ্গে কথা বলেন। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোফাজ্জেল হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ রেলয়ের মহাপরিচালক কাজী রফিকুল আলম, রেলপথ অতিরিক্ত সচিব মজিবুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক সামছুজ্জামান, কাউন্সিলর হামিদুল হক শামীম, স্থানীয় কাউন্সিলর ফারজানা ডলি, রেলওয়ে শ্রমিক লীগের সাপতি হুমায়ূন কবির, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান আখন্দ প্রমুখ।

শেয়ার করুনঃ
content_copyCategorized under