প্রথম পাতা , ব্রেকিং নিউজ , মতলব দক্ষিণ

মতলব দক্ষিণের মোবারকর্দি গ্রামে মামীর ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে ভাগিনা আহত

person access_time 7 months ago access_time Total : 302 Views

স্টাফ রিপোর্টার ঃ মতলব দক্ষিণ উপজেলার মতলব পৌরসভাস্থ ৮নং ওয়ার্ডের মোবারকর্দি গ্রামে মামী সাহিদা বেগম (৬০) এর ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে ভাগিনা বজলুর রহমান গুরুতর আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। ঘটনাটি ঘটেছে, গত ২৬ জুন শুক্রবার।
এ ঘটনায় ভাগিনা বজলুর রহমান ও তার স্ত্রীর কুলসুমা আক্তার পপিসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়। ওই দিন মরহুম আলী মিয়ার স্ত্রী সাহিদা বেগম তার ছোট ছেলে কবির হোসেন এর কাছে খাবার চাইতে গেলে তাকে বেদম প্রহার করে এমনকি কবিরের স্ত্রী সেলিনা বেগমও তাকে মারধর করে। পরে সাহিদা বিচার চাওয়ার জন্য ভাগিনা বজলুর রহমানের কাছে আসলে বজলুর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে কবির হোসেন ও তার স্ত্রীকে বুঝায়। এক পর্যায়ে ঘটনাস্থলে মোবারক হোসেন মিয়াজী, হৃদয় মিয়াজী, সেলিনা বেগম, ফারজানা বেগম ও মাকসুদা বেগমসহ বেশ কয়েকজন মিলে বজলুর রহমানের উপর হামলা করে। এতে বজলুর রহমানের মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে এবং দু’হাত ভেঙ্গে দেয়। বজলুর রহমানের ডাক-চিৎকারে কুলসুমা আক্তার পপি ঘটনাস্থলে তাকেও মারধর করে এবং তাদের কাছ থেকে দশআনা ওজনের স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল, ছিনিয়া নিয়া যায়। পরে তাদের ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে বজলুর রহমানকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ব্যাপারে বজলুর রহমানের স্ত্রী কুলসুমা বেগম বাদী হয়ে মতলব দক্ষিণ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
বৃদ্ধা সাহিদা বেগম জানান, আমার ছেলে ও ছেলে বউ আমাকে বরণ পোষন কিছুই দেয় না। বরং আমাকে গালবন্দ করে। ওই দিন ভাগিনা বজলুর রহমানকে ডেকে বিষয়টি জানিয়েছি। আমার নিরপরাধ ভাগিনা বজলুর রহমানকে তারা মেরে ফেলতে চেয়েছিল। তার কোন দোষ নাই। এখন বজলুর রহমান মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
আহত বজলুর রহমান জানান, আমাকে মোবারক মিয়াজী ও হৃদয় মিয়াজী গংরা জীবনে মারিয়া ফেলতে চেয়েছিল। আমার মামীর ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য তাদের সাথে কথা বলছিলাম। এক পর্যায়ে তারা আমার উপর অতর্কিত হামলা চালায়।
কুলসুমা বেগম জানান, আমার স্বামীর উপর হামলাকারীদের বিচার চাই। তারা এলাকার সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক।

content_copyCategorized under