শেষ পাতা , ব্রেকিং নিউজ , মতলব উত্তর

মতলব উত্তরে কলেজ শিক্ষক আবু তাহের হত্যা মামলার ৫ বছরেও অগ্রগতি নেই

person access_time 7 days ago access_time Total : 485 Views

শামসুজ্জামান ডলার, মতলব উত্তর ঃ ২০১৩ সালরে ৯ আগস্ট মতলব উত্তর উপজলোর সুজাতপুর গ্রামে গাছরে ডালা কাটাকে কন্দ্রে করে সংঘর্ষে প্রতপিক্ষ ঈদরে দনি দুপুরে শক্ষিক আবু তাহরেকে ঘর থকেে টনেে নয়িে গুরুতর জখম কর।ে পরে শক্ষিক আবু তাহরেকে ঢাকা মডেকিলে কলজে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মারা যায়। মামলার একের পর এক তদন্ত হলেও অদ্যবধি কোন সুরাহা হয়নি। কিন্তু সঠিক তদন্ত না হওয়ায় বাদী পক্ষ হতাশা প্রকাম করেন। আসামীরা জামনিে এসে সাক্ষীদরে সাক্ষ্য না দতিে হুমকি দচ্ছিে বলে বাদী পক্ষ অভিযোগ করেন। নহিত শক্ষিক আবু তাহরেরে পতিা মুক্তযিোদ্ধা জহরিুল ইললাম বাদী হয়ে একই গ্রামরে মৃত হাববি উল্লাহ ময়িাজীর ছলেে বশরি উল্লাহ (৪০), সাইফুল (৩৭), রুহুল আমনি (৫০), নূরুল আমীন (৫৫), আবুল কালাম (৫২), মজিান (৪৭), মানকি (৪৪), নূরুল আমনিরে স্ত্রী নূরজাহান (৪৭) ছলেে সুমন (৩০) কে আসামী করে ১০ আগস্ট মতলব উত্তর থানায় একটি মামলা দায়রে করনে। ১৪ আগস্ট শক্ষিক আবু তাহরে নহিত হলে পরে এটি হত্যা মামলা হয়। ১২ আগস্ট আসামী পক্ষ হাইর্কোট থকেে আগাম জামনি চাইলে ৮ সপ্তাহরে মধ্যে নম্নি আদালতে হাজরি হওয়ার র্শতে জামনি মঞ্জুর হয়। পরে বাদীপক্ষ সুপ্রীমর্কোটরে আপীল ডভিশিনে ক্রমিনিাল হাইর্কোটরে আদশে বাতলি করে ২নং আসামী সাইফুল ও ৭নং আসামী মজিানকে ১২ সপ্টেম্বররে মধ্যে নম্নি আদালতে হাজরি হবার নর্দিশে দলিে নম্নি আদালত তা মঞ্জুর করনে। এদকিে মামলার বাদী পক্ষ মামলার তমেন কোনো অগ্রগতি না থাকায় হতাশায় ভুগছে। তাদরে অভযিোগ শক্ষিক আবু তাহরেকে প্রকাশ্যে দবিালোকে পটিয়িে হত্যা করার পরও পুলশি তাদরেকে গ্রফেতার করতে পারনে।ি পুলশিরে অবহলোর কারনেই প্রধান আসামী বশরি উল্লাহ দশে ছড়েে বদিশেে পালাতে সক্ষম হয়ছে।ে অপরদকিে মামলার তৎকালীন তদন্ত র্কমর্কতা মতলব উত্তর থানার ওসি (তদন্ত) সফকিুল ইসলাম র্চাজশীট দাখলিরে সময় মাত্র ৩ জনরে নাম দেয়। বাদী পক্ষ পুণরায় তদন্তের জন্য মামলাটি সিআইডিতে নিয়ে যায়। পরে মামলাটি সিআইডিতে গেলে সিআইডি তদন্ত কর্মকর্তারা উক্ত ৩ জনকেই এজহার ভুক্ত করে। বাদী পক্ষরে অভযিোগ ঘটনার সাথে মামলার এজাহারভুক্ত ৯ জনই জড়তি ছলিো। পুলিশ ও সিআইডির এজহার ভুক্ত ৩ আসামির ১ জন বিদেশ অবস্থানরত এবং সর্বশেষ গত ৯ অক্টোবর ২০১৮ মঙ্গলবার মামলার পুণরায় তদন্তের জন্য চট্রগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ পুলিশ সুপার পিবিআই ইকবাল মাহমুদ ও চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিবিআই শংকর কুমার তদন্ত করতে সরজমিনে বাদীর বাড়িতে আসেন। বাদী ও স্বাক্ষীগণের সাথে দীর্ঘক্ষণ আলাপচারিতা করেন ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় সাংবাদিকরা মামলার বর্তমান অবস্থার অগ্রগতি জানতে চাইলে ইকবাল মাহমুদ বলেন, মামলাটি আদালতে বিচার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তাই এ বিষয়ে কিছু বলা ঠিক হবে না।

শেয়ার করুনঃ
content_copyCategorized under