পাঠক বন্ধন , জ্ঞান পিপাসা

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং আমরা শিক্ষকরা

person access_time 1 year ago access_time Total : 302 Views

 অধ্যাপক মোঃ হাছান আলী সিকদার 
শিক্ষা জাতির মেরুদ-। মেরুদ- ছাড়া মানুষ চলতে পারে না। তেমনি শিক্ষিত লোক ছাড়া একটা দেশ চলতে পারে না। অন্যভাবে বলতে গেলে মস্তিষ্কবিহীন মানুষ এবং শিক্ষাবিহীন জাতি দু’টিই সমান। শিক্ষার দিক দিয়ে যে দেশ যতবেশী অগ্রগামী, উন্নয়নের দিক দিয়েও সে দেশ ততবেশী অগ্রগামী। আর মানুষকে শিক্ষিতরূপে গড়ে তোলার দায়িত্বে যারা নিয়োজিত, তারা হচ্ছেন শিক্ষক। শিক্ষকদেরকে মানুষ গড়ার কারিগর এবং শিক্ষা ব্যবস্থার মূল নিয়ামক হিসেবে অভিহিত করা হয়। এ কারণে শিক্ষকরা বিশ্বের সব দেশেই বিশেষ মর্যাদার অধিকারী, তাঁরা দেশ ও সেমাজের সর্বোচ্চ ব্যক্তি হিসাবে চিহ্নিত। কিন্তু বাংলাদেশে এর ভিন্ন চিত্র।
পরিতাপের বিষয়, বাংলাদেশে মানুষ গড়ার কারিগর এ শিক্ষকরা আজও তাদের যথাযথ মর্যাদা পাচ্ছে না। সকলেই মুখে মুখে নীতিগতভাবে শিক্ষকদের মর্যাদার বিষয়টি স্বীকার করলেও কার্যতঃ আজ শিক্ষকগণ অন্যান্য পেশা ও কর্তব্যে নিয়োজিতদের তুলনায় মর্যাদা যে কতটুকু নি¤œতর পর্যায়ে পৌঁছেছে তা সহজেই অনুমেয়। এ দেশের শিক্ষকরা তাদের মর্যাদা অনুযায়ী যতটুকু পারিশ্রমিক পাওয়া উচিৎ তা তাঁরা পাচ্ছেন না। অর্থনৈতিক দিক দিয়ে তাদেরকে চরমভাবে অবহেলা করা হচ্ছে। আর এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশী অবহেলিত হচ্ছেন বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক সমাজ।
জাতিগঠনে ও উন্নয়নের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম শিক্ষা। আর শিক্ষকই হলেন শিক্ষাব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু। সেই কারণেই সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক অধিকার ও মর্যাদা এবং পেশগত দায়িত্ব ও কর্তব্য বিষয়ক ১৪৬ ধারা ও উপধারা বিশিষ্ট সনদ বা দলিল ১৯৬৬ সালের ৫ই অক্টোবর প্যারিসে অনুষ্ঠিত আন্তঃরাষ্ট্রীয় বিশেষ সম্মেলনে প্রণীত হয়। আর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৮ সালে মানবাধিকার ঘোষণা থেকে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শিক্ষক সংগঠনের ধারাবাহিক প্রচেষ্টা এবং ইউনেস্কো আই.এল.ও এর সদস্য দেশগুলোর আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলেই অর্জিত হয়েছে এই ঐতিহাসিক সনদ। জাতিসংঘের সকল সদস্যভুক্ত দেশগুলোতে দলিলটি বাস্তবায়নের ব্যবস্থা করার অর্থবহ উদ্যোগ গ্রহণের জন্য তৎকালীন বিশ্বের ১৬৭টি দেশের ২১০টি শিক্ষক সংগঠনের প্রায় তিন কোটি বিশ লক্ষ শিক্ষক ও কর্মচারীর প্রতিনিধিত্বকারী সংস্থা ‘এডুকেশন ইন্টারন্যাশনাল’ এর ক্রমাগত অনুরোধ ও আহ্বানের প্রেক্ষিতে ১৯৯৪ সালের ৫ অক্টোবর ইউনেস্কোর ২৬তম অধিবেশনে গৃহীত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ইউনেস্কোর তৎকালীন মহাপরিচালক ড. ফ্রেডারিক এম মেয়র ৫ই অক্টোবরকে ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেন। সেই হিসেবে প্রতি বছর জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত দেশগুলো ৫ই অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালন করে আসছে। এ বছর জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত দেশগুলোতে ২৪তম বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালন করেছে। শিক্ষক দিবসে প্রতি বছর একটি প্রতিপাদ্য বিষয় নির্ধারিত থাকে। এ বছরের প্রতিপাদ্য বিষয় ঞযব ৎরমযঃ ঃড় বফঁপধঃরড়হ সবধহং ঃযব ৎরমযঃ ঃড় ধ য়ঁধষরভরবফ ঃবধপযবৎ (শিক্ষার অধিকার মানে, একজন যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষকের অধিকার)। এতে মানসম্মত শিক্ষার মূল তিনটি উপাদান সনাক্ত করেছে- ১. মানসম্মত শিক্ষক ২. মানসম্মত শিক্ষা-উপকরণ ৩. মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ। বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে এর সাথে যুক্ত হয়েছে মানসম্মত শিক্ষক বেতন ভাতা।
শিক্ষার জন্য যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষকের গুরুত্ব সর্বাধিক। ইদানিং আমাদের দেশে খুব সীমিত আকারে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালন করা হচ্ছে কিন্তু আজও পরিপূর্ণ মর্যাদায় দিনটি পালিত হয় না। দুর্ভাগ্যজনক হলেও এ কথা সত্য যে, এ বিষয়ে সরকারি কোন উদ্যোগই নেই। অপরদিকে এ কথা বললে অত্যুক্তি হবে না যে, অনেক শিক্ষকই জানেন না বিশ্ব শিক্ষক দিবস কোন তারিখে এবং এর প্রতিপাদ্য বিষয়ই বা কি? শিক্ষকতাকে নিছক চাকরি মনে করলে ভুল করা হবে। কেবল মেধা ও শিক্ষাগত যোগ্যতাই আদর্শ শিক্ষক হওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়। আলোকিত মানুষ তৈরীকল্পে শিক্ষার আলো জ্বালিয়ে দেওয়ার মহতী চেতনা ও উপলব্ধি তাকে শিক্ষাদানের পবিত্র দায়িত্ব পালনে উদ্বুদ্ধ করে। শিক্ষকের চাওয়া-পাওয়া আপেক্ষিকভাবে সীমিত। একজন আদর্শবান শিক্ষক সহজ, সরল, নিরহংকার, কর্তব্যনিষ্ঠ, নিঃস্বার্থ, নির্ভীক, অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল মনের অধিকারী জ্ঞানী ব্যক্তি। নিজের অর্জিত জ্ঞানভান্ডারকে তিনি সমৃদ্ধতর করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা বিতরণ করেন। তার আদর্শ কর্তব্যনিষ্ঠার নিরলস পরিশ্রম, নিয়ম-শৃঙ্খলাবোধ শিক্ষার্থীদের প্রেরণার উৎস। শিক্ষার্থীদের শিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী করে তোলার লক্ষ্যে তাদের অধ্যাবসায়ী-পরিশ্রম, অনুসন্ধানী ও জ্ঞানপিপাসুরূপে গড়ে তোলাই হবে শিক্ষকের দায়িত্ব ও কর্তব্য। শ্রেণীকক্ষে পাঠদান, অনুশীলন প্রস্তুত, সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা গ্রহণ ও মূল্যায়ন এবং সহপাঠক্রম কাজ পরিচালনা করবেন আন্তরিকতা ও একাগ্রতার মাধ্যমে।
এরই পাশাপাশি শিক্ষার গুনগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে শিক্ষকদের পেশাগত অধিকার ও মর্যাদার বিষয়টি গুরুত্ব দেয়া একান্ত দরকার। ভাবতে অবাক লাগে স্বাধীন দেশের উপযোগী একটি শিক্ষানীতি আজও বাস্তবায়িত হয়নি। অপরদিকে লজ্জাজনক ও অপ্রিয়সত্য, স্বাধীন বাংলাদেশে আজও বৃটিশ উপনিবেশিক আমলের বৈষম্যমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা বিরাজমান। শিক্ষকতাকে যখন সামাজিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে একটি উপযুক্ত মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করা প্রয়োজন তখন অতি দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, অবহেলা ও অবজ্ঞার ফলেই শিক্ষকতা পেশা আকর্ষণ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে যোগ্য তরুণ-তরুণী শিক্ষকতার চেয়ে দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর সরকারি চাকরিতে বেশী আগ্রহী হতে দেখা যায়। অন্য কোন ভাল চাকুরি না পাওয়ায় মনে হয় যেন তারা শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে অন্তর থেকে গ্রহণ করেন না। আর গ্রহণ করবেই কীভাবে? আপেক্ষিকভাবে তাঁদেরকে সরকারি চাকুরীর দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীদের সমমর্যাদাও দেয়া হচ্ছে না। একজন তৃতীয় শ্রেণীর সরকারী কর্মচারীর মাস শেষে নির্দিষ্ট অংকের বেতন লাভের যেমন রয়েছে নিশ্চয়তা, তেমনি অবসর গ্রহণের পরও রযেছে পেনসন নামক মোটা অংক লাভের ভবিষ্যৎ নিশ্চয়তা। সে কারণে একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর ডিগ্রিধারী ব্যক্তি যিনি বেসরকারি মাধ্যমিক বা কলেজের শিক্ষকতা পেশায় প্রবেশ না করে অনেক ক্ষেত্রে সরকারী তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী-কর্মকর্তার চাকুরীতে প্রবেশে আগ্রহী।
অন্যদিকে, দেশের শতকরা ৯০ ভাগ ছাত্র-ছাত্রী বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশুনা করে, বাকী মাত্র ১০ ভাগ ছাত্র-ছাত্রী লেখাপড়া করে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। সুতরাং দেশের সিংহভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রীকে বেসরকারি পর্যায়ে রেখে অল্প কিছু সংখ্যক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারিভাবে পরিচালিত করে উপনিবেশিক ও অগণতান্ত্রিক শিক্ষাব্যবস্থাকে টিকিয়ে রেখে শিক্ষা নামক মৌলিক অধিকার থেকে দেশের জনগণকে বঞ্চিত করা হচ্ছে যা স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় অগণতান্ত্রিক কার্যক্রম।
সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ প্রভৃতি) কারিকুলাম (পাঠক্রম), শিক্ষাদান, পরীক্ষা পদ্ধতি, শিক্ষকদের যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং শিক্ষকদের মেধাক্ষেত্রে কোন পার্থক্য নেই। অথচ সুুযোগ-সুবিধা, ছাত্র-ছাত্রী, বেতন, শিক্ষকদের বেতন-ভাতা প্রভৃতি ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি শিক্ষকদের নামমাত্র সরকারি বেতন স্কেলভুক্ত করা হলেও শুধুমাত্র মূল বেতনের অংশটুকু দেয়া হচ্ছে। বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের স্বাদ বেসরকারি শিক্ষকগণ আজও পায়নি। নেই কোন আবাসিক ব্যবস্থা বা প্রয়োজনীয় আবাসন ভাতা। ফলে পরিবার-পরিজন নিয়ে সুন্দর মানসম্পন্ন পরিবেশে বসবাস করার বিষয়টি আজও তাদের কাছে স্বপ্নবিলাস হয়ে রয়ে গেছে। চিত্তবিনোদনের বিষয়টি শিক্ষকেরা কল্পনাই আনতে পারেন না। বেরসকারি শিক্ষক পান না কোন সম্মানজনক উৎসব ভাতা ও ভ্রমণভাতা। অপরদিকে দেশে একই পদ্ধতির শিক্ষা ব্যবস্থায় বেসরকারি-বেসরকারি শহর-পল্লী কেন্দ্রিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুযোগ-সুবিধা প্রভৃতি ক্ষেত্রে শিক্ষা ব্যবস্থায় এ বৈষম্য জাতির জন্য আত্মঘাতী এবং অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী মনোভাবেরই বহিঃপ্রকাশ।
অভিন্ন নিয়োগ নীতিমালায় সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে মেধাসম্পন্ন দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ দেখা যেমন প্রয়োজন তেমনি সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষকদের সব ধরনের বৈষম্য দূর করে যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বেসরকারি শিক্ষকের বেতন-ভাতাদি প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় বেসরকারি শিক্ষকদের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা থাকলেও পদোন্নতির কোন সুযোগ নেই। ১৯৯৪ সালের শিক্ষক আন্দোলনপরবর্তীতে সরকারি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বেসরকারি কলেজ শিক্ষকদের সহযোগী অধ্যাপক, অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেয়া হবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে বর্তমান সরকারের দেওয়া জাতীয় শিক্ষানীতি (২০১০) ও জনবল কাঠামো (২০১০) এ সীমিতভাবে পদোন্নতির কথা উল্লেখ থাকলেও তা আজও বাস্তবায়িত হয়নি এবং এ ব্যাপারে সরকারেরও সুষ্পষ্ট কোন বক্তব্য নেই।
সামগ্রিকভাবে বিশ্লেষণ করলে এ কথা কারো অস্বীকার করার উপায় নেই যে, মানব সভ্যতার উন্নতি ও অগ্রগতির যে অবস্থান তা একমাত্র শিক্ষকদের শিক্ষাদানেরই ফসল। শিক্ষা যদি জাতির মেরুদন্ড হয় তবে মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষকরা আজও কেন অবহেলিত এবং ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত? এ অবস্থায় সর্বস্তরের শিক্ষক সংগঠনগুলোর মধ্যে বৃহত্তর ঐক্য প্রতিষ্ঠা তথা শিক্ষক সংগঠনগুলোর প্রতিনিধি সমন্বয়ে একটি শিক্ষা সংসদ বা জাতীয় শিক্ষক পরিষদ বা শিক্ষক কনফেডারেশন গঠন এবং শিক্ষা জাতীয়করণের লক্ষ্যে একটি শিক্ষা আন্দোলন গড়ে তোলা শিক্ষকদের পেশাগত ও জাতীয় কর্তব্য। আর এ শিক্ষা আন্দোলন ব্যতিত শিক্ষার প্রতি রাষ্ট্রীয় দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন সম্ভব নয়। অপরদিকে কালবিলম্ব না করে সরকারের উচিৎ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের ন্যায্য ও যৌক্তিক দাবিগুলো মেনে নিয়ে একটি অসাম্প্রদায়িক বৈষম্যহীন সার্বজনীন গ্রহণযোগ্য স্বাধীন গণতান্ত্রিক দেশের উপযোগী শিক্ষানীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন এবং স্বাধীন বাংলাদেশে বিশ্বমানের শিক্ষা ব্যবস্তা গড়ে তোলার লক্ষ্যে শিক্ষাকে জাতীয়করণ করা হউক। তা না হলে এটা হবে অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী কার্যক্রম যার দ্বারা সরকারের স্বরূপ উন্মোচিত হবে এবং আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রভাব পড়বে। আর এ প্রভাব থেকে ইতিবাচক ভাবে মুক্ত হতে পারবে না। ফলে এ দেশ কাঙ্খিত মধ্যম আয়ের দেশে পৌঁছাতে পারে কিনা বললে অত্যুক্তি হবে না।

লেখক পরিচিতিঃ
কলামিস্ট অধ্যাপক মোঃ হাছান আলী সিকদার
(ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র নেতা)
সভাপতি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ, চাঁদপুর জেলা শাখা।
আহ্বায়ক, চাঁদপুর জেলা শিক্ষক সংগ্রাম পরিষদ।

content_copyCategorized under