প্রথম পাতা , শীর্ষ খবর , ফরিদগঞ্জ , ব্রেকিং নিউজ , মতলব দক্ষিণ

বনানীর অগ্নিকান্ডে চাঁদপুরের ফারুক ও নাজমুল নিহত

person access_time 3 months ago access_time Total : 76 Views

স্টাফ রিপোর্টার ঃ বনানীর অগ্নিকান্ডে চাঁদপুরের ২জন নিহত হয়েছে।এরমধ্যে ফরিদগঞ্জে ১জন ও শতলব দক্ষিনে ১জন মারা গেছে। চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের আব্দুল্লাহ আল ফারুক তমালের ভাই আব্দুল্লা আল মামুনের বুক ফাঁটা কান্না ‘আমি বিশ্বাস করি না, আমার ভাই নাই । যত টাকাই লাগুক আমার ভাইরে চিকিৎসা করান। আব্দুল্লা আল মামুনের ভাই আব্দুল্লাহ আল ফারুক তমাল রাজধানীর বনানীর ১৭ নম্বর রোডের এফআর টাওয়ারে আগুনে মারা গেছেন। তমালের মরদেহ বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে। আব্দুল্লা আল মামুন টেলিফোনে জানান, আমদানি-রপ্তানিতে পণ্য পরিবহনের কাজ করা প্রতিষ্ঠান ইইউআর সার্ভিস বিডি লিমিটেডের সহকারী ব্যবস্থাপক ছিলেন আব্দুল্লাহ আল ফারুক তমাল । এই এফ আর টাওয়ারেই ছিল তার অফিস। ভবন থেকে হেলিকপ্টারে উদ্ধার করে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। তার শরীরের ৯০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তমালের এক ছেলে ও এক মেয়ে। প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ের নাম মানহা। তবে ছেলের বয়স দুই বছর। গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৫নং গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড শ্রীকালিয়া মুন্সী বাড়ির মুকবুল আহমেদের ছেলে। তারা থাকতেন রাজধানীর শারুলিয়া ডেমরায়।
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ ৫নং গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল গনি পাটোয়ারী বাবুল নিহতের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে জাগো নিউজকে জানান।আব্দুল্লাহ আল ফারুক তমাল নটর ডেম থেকে ব্যবসায় শিক্ষায় ২০০৫ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। ২০০৫-০৬ শিক্ষাবর্ষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ভর্তি হন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সালাম বরকত হলে থাকতেন তিনি। ২০১০-১১ সেশনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ করেন সে। পড়াশোনা শেষে দুটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার পর সর্বশেষ ইইউআর সার্ভিস বিডি লিমিটেডে সেলস ম্যানেজার হিসেবে কমর্রত ছিলেন।
এদিকে ঢাকার বনানীর এফআর টাওয়ারে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে মারা গেলেন মতলব দক্ষিণ উপজেলার দক্ষিণ নাগদা গ্রামের নাজমুল হাসান রেনু প্রধানের ছেলে রেজাউল করিম রাজু (৩৫)। তাঁর গ্রামের বাড়ি মতলব দক্ষিণে। পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে চট্রগামের মোঘলটুলি এলাকায় বসবাস করে আসছে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিহত রাজু এক্সপোর্ট-ইমপোর্টের ব্যবসার জন্য ওই টাওয়ারের নবম তলায় একটি অফিস ভাড়া নেয়। অগ্নিকান্ডের সময় সেও অন্যদের মত আটকা পড়ে আগুনে দগ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করে। তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যরা চট্টগ্রামের বসবাস করলেও সে তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ঢাকায় বসবাস করতো। সংসার জীবনে এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক রাজু। রাজুর চাচা শাহাজান জানায়, তিন বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল সবার বড়। শুক্রবার বাদ জুম্মা নামাজের শেষে চট্রগ্রামের ডবলমুরিং থানার মোঘলটুলি এলাকায় তার লাশ দাফন করা হয়।

content_copyCategorized under