ফরিদগঞ্জ , তৃতীয় পাতা

ফরিদগঞ্জে বদিউজ্জামাপুর-কুতুবপুর গ্রামীণ সড়কের বেহাল দশা

person access_time 7 days ago access_time Total : 8 Views

মোশারফ হোসেন ফারুক মৃধা, ফরিদগঞ্জ ঃ ফরিদগঞ্জ উপজেলার রুপসা (উ.) ইউনিয়নের বদিউজ্জামাপুর মহিলা দাখিল মাদ্রাসা থেকে হাজী বাড়ীর মসজিদের সামনে ও কুতুবপুর বাদশা মিয়ার বাড়ী পর্যন্ত গ্রামীন কাঁচা সড়কের বেহাল দশা। জনবহুল এলাকার দ্ইু গ্রাম দিয়ে বয়ে যাওয়া কাঁচা সড়কের বেহাল দশার কারনে এলাকার জনসাধারণের চলাচলে চরম দুর্ভোগে রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২২ সেপ্টেম্বর শনিবার সরজমিনে গেলে স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, প্রায় দুই যুগেরও বেশী সময়ে এ ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন চেয়ারম্যান পরিবর্তন হলেও আদোও ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি বদিউজ্জামাপুর ও কুতুবপুর গ্রামের এলাবাসীর। তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যান মৃত গোলাম রহমান ধেনু মিয়া ভুঁইয়া জনবহুল এ গ্রামীন আঞ্চলিক সড়কটিকে ইউনিয়ন পরিষদের আওতাধীন নিলেও আদোও এ সড়কটি অবহেলিত রয়ে গেছে। বদিউজ্জামাপুর ও কুতুবপুর এ দু’টি গ্রাম জনবহুল। এখানে প্রায় ৫/৬ হাজার লোকের বসবাস। এছাড়াও গ্রামে ১টি মহিলা দাখিল মাদ্রাসা, ১টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ২টি জুম্মা মসজিদ রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানিতে কাঁচা সড়কের বিভিন্ন অংশ ভেঙ্গে পড়াতে মাদ্রাসা ও স্কুলের শিক্ষার্থীরা ও মসজিদের মুসুলি¬গন ঐ কাঁচা সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় বলে জানান এলাকাবাসী। গ্রামীন এই কাঁচা রাস্তাটি দিয়ে ভারী যানচলাচল না করলেও বর্ষার পানিতে সড়কের বিভিন্ন স্থান ধসে পড়ায় ও গর্ত থাকায় সাইকেল, রিক্সা চলাচলেও প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-খাট দুর্ঘটনা। এমনকি দৈনন্দিন হাটে বাজারে আসা যাওয়া ও জরুরী অবস্থায় একজন রোগীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। বদিউজ্জামাপুর মহিলা দাখিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা কফিলউদ্দিন ও স্থানীয় বাসিন্দা মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মাওলানা বিল্লাল হোসেন বলেন,‘৩ শত ৪৫ জন শিক্ষার্থী এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করে। এর মধ্যে এ দুই গ্রামের একশরোও বেশী শিক্ষার্থী এ অবহেলিত গ্রামীন সড়ক দিয়ে মাদ্রাসায় আসা যাওয়া করে।’ বর্ষা মৌসুমে দেখাযায় কোমলমতী শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে সড়কের গর্তে পড়ে কাঁদামাখা পোশাকে নিরুপায় হয়ে ফিরে আসতে হয় বাড়ীতে। এতে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় চরম ব্যহত হচ্ছে বলে দাবি জানান শিক্ষার্থীদের অভিবাকরা। এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা হাজী মফিজুল ইসলাম, মিজানুর রহমান ব্যাপারী আলমগীর হোসেন ভুঁইয়া, মো. মাসুদ খাঁসহ আরো অনেকেই জানান,‘এ অবহেলিত গ্রামীন সড়কের সংস্কার করন দাবি জানিয়ে গত দুই বছর পূর্বে সরকারী টি.আর ও কাবিখার বিশেষ বরাদ্ধ চেয়ে এলাকার পক্ষে মো. শাফায়েত হোসেন ও মোঃ শফিকুর রহমানের যৌথ স্বাক্ষরে স্থানীয় এমপি মহোদয় বরাবর লিখিত আবেদন করলে ঐ সড়কের জন্য স্থানীয় এমপি মহোদয় ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে সরকারী কাবিখার একটি বরাদ্ধ দিলে গত দুই বছর পূর্বে ইউপি পরিষদের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক ৪নং ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য মো. আনোয়ার হোসেনের মাধ্যমে ড্রেজার দিয়ে ঐ সড়কে বালু ফেলে সড়কের সংস্কার করে। বর্তমানে বর্ষার মৌসুমে টানা বৃষ্টির পানিতে সড়কের বালু চলে গিয়ে ঐ সড়কের বিভিন্ন অংশ ভেঙ্গে যায়। এবং সড়কের পাশে বিভিন্ন স্থানে পুকুর থাকায় সড়ক ভেঙ্গে পুকুরে পড়ে যায়। এতে এলাকাবাসী পুকুরের পাশ দিয়ে বাঁশের সাঁকু তৈরী করে যাতায়াত করছে। এতে জনসাধারণ ও কোমলমতী শিক্ষার্থীদের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ জনবহুল এলাকার গ্রামীণ সড়কের পূর্ন সংস্কারের দাবি জানিয়ে মাননীয় এমপি মহোদয় ও সংশ্লি¬ষ্টদের সুদৃষ্টি কামনা করছেন এলাকাবাসী।

শেয়ার করুনঃ
content_copyCategorized under