প্রথম পাতা , শীর্ষ খবর , ফরিদগঞ্জ , ব্রেকিং নিউজ

ফরিদগঞ্জে পরিবহন নৈরাজ্য ॥ ভোগান্তিতে যাত্রী সাধারণ

person access_time 4 months ago access_time Total : 103 Views

আবু হেনা মোস্তফা কামাল, ফরিদগঞ্জ: ঢাকা থেকে ফরিদগঞ্জে বাড়িফেরা মানুষকে ঘাটে জিম্মি করে চলছে পরিবহন নৈরাজ্য। যাত্রী প্রতি ভাড়া নেয়া হচ্ছে দুই থেকে তিনশত টাকা। পূর্বে এ ভাড়া ছিলো ৬০ টাকা। গত তিনদিন থেকে এ নৈরাজ্য চললেও কোনো প্রতিকার নেই। এ নৈরাজ্য চলবে ঈদেরদিন সকাল পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার রাত ৮টা থেকে গতকাল বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ফরিদগঞ্জ বাস স্ট্যান্ডে ঘুরে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বললে তারা এমন অভিযোগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বর্তমানে ঢাকা থেকে ফরিদগঞ্জসহ অত্র এলাকার প্রধান বাহন লঞ্চ। ফলে, প্রতিদিন লঞ্চযোগে বাড়ি ফিরছে কয়েক হাজার মানুষ। চাঁদপুর ঘাট থেকে ফরিদগঞ্জ উপজেলা সদরের বাসস্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন বাড়ি-ঘরে যাওয়ার একমাত্র বাহন সিএনজি চালিত অটোরিক্সা। এ অটোরিক্সা চালকগণ সিন্ডিকেট করে ঈদের প্রায় ৬দিন পূর্ব হতে ভাড়া বাড়িয়ে দিচ্ছেন। এতে প্রথম দিকে সকাল হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত জনপ্রতি ভাড়া নিয়েছেন ১০০ টাকা। রাত ১০টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত ১৫০ টাকা। গত দুদিন (বুধবার) থেকে এ ভাড়া আরও একধাপ বেড়ে সকাল হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত জনপ্রতি ভাড়া নিচ্ছেন ১৫০ টাকা। রাত ১১ টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত এ ভাড়া বেড়ে ৩০০ টাকা পর্যন্ত হচ্ছে। ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরেছেন এমন ক’জন যাত্রী উপজেলার বড়ালী গ্রামের কলেজ ছাত্র ফয়সাল হোসাইন (২৩), স্থানীয় গাব্দেরগাঁও গ্রামের পরিবহন শ্রমিক সফিকুল ইসলাম (৩৪), হাঁসা গ্রামের চাকরিজীবী শাহিন আলম (৩৫), সাহাপুর গ্রামের কলেজ ছাত্র আব্দুল কাদের (১৯) প্রমুখ ক্ষোভ প্রকাশ বলেন, প্রতি বছর চাঁদপুর ঘাটে এসে যেনো ডাকাতের সামনে পড়ি। প্রশাসন কর্তৃক পরিবহনের এ নৈরাজ্য বন্ধ্যের কথা শুনি। কিন্তু, ঘাটে এসে দেখি ভিন্ন চিত্র। আমরা তো আর ঘাটে বসে থাকতে পারবো না। তাই আমাদের অসহায়ত্বকে পুঁজি করে ঘাটে নৈরাজ্য চলে। তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা জনপ্রতি ১৫০ থেকে ৩০০ শত টাকায় ফরিদগঞ্জ এসেছেন। কয়েকজন যাত্রী অসহায়ত্ব প্রকাশ করে বলেন শিশু সন্তান, স্ত্রী, মা-বোন ও লাগেজ-ব্যাগ সঙ্গে নিয়ে ভাড়ার নামে ডাকাতি মেনে নিতে হচ্ছে। গতকাল বিকাল সাড়ে ৫টায় এ ব্যাপারে কথা হয় চালক লিটন (৪০) সঙ্গে। তিনি বলেন, ভাড়া কে বাড়াইছে আমি আমি জানি না। একই সময় অপর কয়েকজন চালকের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তারা বিরক্তি প্রকাশ করেন। ভীড় থেকে কেউ একজন বলেন, ঈদের সময় ভাড়া একটু বেশি হইবোই। এইডা লই এতো প্রশ্ন কিল্লাই। এদিকে, এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য মুঠোফোনে কল দেয়া হয় ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) সহকারী কমিশনার (ভূমি) মমতা আফরিনকে। তিনি কল রিসিভ করেননি।

content_copyCategorized under