শেষ পাতা , ব্রেকিং নিউজ , মতলব উত্তর

ধনাগোদা নদীর ভাঙ্গনের কবলে মতলব উত্তরের অর্ধশতাধিক পরিবার

person access_time 2 months ago access_time Total : 76 Views

স্টাফ রিপোর্টার ঃ মতলব উত্তর উপজেলার ধনাগোদা নদীর ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে ১০নং ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়নের সিপাইকান্দি ও ঠেটালীয়া গ্রামের অর্ধশতাধিক পরিবার। বিগত দিনে ধনাগোদা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে সিপাইকান্দি ও ঠেটালীয়া গ্রামের প্রায় ১শ’ ৫০টি পরিবার। বসতভিটা হারিয়ে পরিবারগুলো নদীর ওপার ও বেড়িবাঁধের ভিতরে, বেড়িবাঁধের পাশে বসবাস করছে। বর্তমানে বেড়িবাঁধের বাইরে নদীর তীরর্বর্তী এলাকায় প্রায় ১০০ পরিবার বসবাস করছে। সরেজমিনে দেখা যায়, ধনাগোদা নদীর ভাঙ্গনের কবলে আছে সিপাইকান্দি গ্রামের আলী আকবর মিজি, মহসিন মিজি, মানিক মিজি, স্বপন মিজি, আনোয়ার হোসেন মিজি, নূরু মিজি, অলু মিজি, মরহুম চাঁদ মিয়া মেম্বারের বাড়ির ১০টি পরিবার, মরহুম আশ্রাব আলী প্রধান বাড়ির ১০টি পরিবার এবং ঠেটালীয়া গ্রামের ৫০টি পরিবার। দুটি গ্রামের পাশে রয়েছে মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের বেড়িবাঁধ। খ্বু দ্রুত ভাঙ্গনের কবল থেকে গ্রাম দুটিকে রক্ষা করতে না পারলে সেচ প্রকল্পের বেড়িবাঁধটি হুমকির মুখে পড়বে। অতীতে দেখা গেছে, এ এলাকা নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়লে প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা পরিদর্শন করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেন। এ প্রেক্ষিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডে কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে পরিদর্শন করলেও কোনো পদক্ষেপ নেননি। ইউপি সদস্য সাংবাদিক গোলাম নবী খোকন জানান, কয়েক বছর ধরেই এলাকাটি নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। বাড়ি ঘর নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় অনেক পরিবার অন্য জায়গায় আশ্রয় নিয়েছে। ভাঙ্গনরোধে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। গত ১৫ জুন পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম ও অ্যাডঃ আলহাজ্ব নূরুল আমিন রুহুল এমপি এ নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাঙ্গনরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন। মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী জাকির হোসেন বলেন, নদী ভাঙ্গনরোধে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

content_copyCategorized under