শেষ পাতা , কচুয়া

কচুয়ায় সংখ্যালঘুদের সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের পায়তারার অভিযোগ

person access_time 3 months ago access_time Total : 50 Views

মফিজুল ইসলাম বাবুল,কচুয়া ঃ কচুয়া উপজেলার গোহট উত্তর ইউনিয়নের বেদপুর মজুমদার বাড়ির সংখ্যালঘু সুবাশ মজুমদার গংদের সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল পায়তারার অভিযোগ পাওয়াগেছে। গতকাল রবিবার সরজমিনে গেলে সুবাশ মজুমদার গং জানান,প্রতিবেশী অমলকি গ্রামের বাবুল মিয়ার কাছে ২০১৪ ইং সালে এ সংখ্যালঘুদের ৩০টি পরিবারের যৌথ ৬৬ শতাংশের একটি পুকুর ২ বছরের জন্য ৬০ হাজার টাকা নির্ধারনে মৌখিক ভাবে মাছ চাষ করতে লাগিত দেয়। বাবুল এ সর্তে মাছ চাষ শুরু করে এবং ২০১৬ সালে ২ বছর মেয়াদ উত্তীর্ণের পূর্ব মহুর্তে বাবুল সংখ্যালঘুদের সাথে যোগাযোগ না করে আরেক প্রতিবেশী বুরগী গ্রামের আবুল কাশেমের সাথে আতাত করে পুকুরটি হাত বদল করে। এদিকে ২ বছর মেয়াদ উত্তির্ণ হলে কাশেম সংখ্যালঘুদের অনিচ্ছার বিরুদ্ধে এবং তার বিশেষ অনুরোধে প্রতিবছর ৩০ হাজার টাকা করে দিয়ে আরো ২ বছর পুকুরটি ভোগ দখলে থাকে এবং সত্ব ছাড়া জোরপূর্বক ভাবে পুকুরপাড়ে রতন মজুমদারের ১৬ শতক, বিমলের ৭ শতক, তপনের ৭ শতক, রাশমোহনের ৫ শতক এবং যৌথ পরিবারের ৮ শতক কৃষি জমি ভোগ দখলে চাষাবাদ করছে। সম্প্রতি থেকে কাশেম ২০১৯ সালের জন্য পুকুরটি আবারও লাগিত নিতে চেষ্টা করলে সংখ্যালঘুরা আর লাগিত দিবেনা বলে নিষেধ করে দিয়ে তাদের মাছ চাষে বাড়ির যাতায়াতের ভেংঙ্গে যাওয়া রাস্তা পুকুর থেকে মাটি কেটে মেরামত করার প্রদক্ষেপ নিলে কাশেম গং বাঁধা এবং প্রান-নাশের হুমকি দেয়। এ ব্যাপারে সুবাশ মজুমদার গং বাদী হয়ে গত ২৫/৩/২০১৯ইং তারিখে স্থানিয় ইউনিয়ন পরিষদে একটি অভিযোগ দায়ের করে। এ অভিযোগের ভিত্তিতে দুইদিন পর ২৭ মার্চ ইউনিয়ন পরিষদে উভয় পক্ষ হাজির হওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করলেও প্রতিপক্ষ কাশেম গং হাজির হয়নি। এমতাবস্থায় গতকাল রবিবার সংখ্যালঘুরা পুকুরপাড় বাধাঁর জন্য ডেকু ভাড়া করে মাটি কাটা শুরু করলে কাশেম গং তাদেরকে বাঁধা এবং বিভিন্ন হুমকি দুমকি দিয়ে ডেকু তুলে দেয়। এ ব্যাপরে কাশেম গং জানান, সংখ্যালঘুদের মধ্যে জগবন্ধু মজুমদার নামে একজনের কাছ থেকে ৩ বছরের জন্য পুকুরটি লাগিত নিয়েছে। তবে জগবন্ধু জানান, আমি বুজতে পারিনি এমন হবে, প্রায় ১৪ মাস হয় ৬৬ শতাংশ পুকুরের মধ্যে আমার অংশের ৫ শতক এবং পুকুর পাড়ে ১১ শতক কৃষি জমি বিশেষ প্রয়োজনে কাশেম গং থেকে ১৬ হাজার টাকা নিয়ে লাগিত দেই। জগবন্ধু আরো জানান,বর্তমানে বাড়ির সকলের স্বার্থে কাশেম গং কে টাকা পেরত নেয়ার কথা বল্লেও সে মানছেনা এবং জোরপূর্বক আমাদের সম্পত্তি দখলের পাতারা করছে। এছাড়াও কাশেম গং বেদপুর মৌজার ১৩১ নং সরকারী হালটের খাল ভরাট করে পানি নিঃস্কাশনের মারাক্তক ব্যাগাত ঘটিয়ে দখলের পায়তারা করছে। ভোক্তভোগি সংখ্যালঘুরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছে।

content_copyCategorized under