প্রথম পাতা , শীর্ষ খবর , ব্রেকিং নিউজ , কচুয়া

কচুয়ায় রমরমা প্রাইভেট বাণিজ্য ॥ গরীব শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা বিপাকে

person access_time 1 month ago access_time Total : 49 Views

স্টাফ রির্পোটার ঃ কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রমরমা প্রাইভেট বাণিজ্য চলছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ হচ্ছে, দূর্বল শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা যদি লিখিত আবেদন করে তাহলে ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে বিশেষ ক্লাস নেওয়া যাবে। এ ছাড়া শিক্ষকরা নিজ বিদ্যালয় ব্যতিত অন্য বিদ্যালয়ের সীমিত সংখ্যক ছাত্রদেরকে প্রাইভেট পড়াতে পারবে। কিন্তু সরকারি নিয়ম-নীতির কোন তোয়াক্কা না করে এমপিওভূক্ত শিক্ষকরা নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদেরকে খেয়াল খুশি মতো প্রাইভেট পড়াচ্ছে। ১২ থেকে ১৫ দিনকে প্রাইভেটের মাস হিসাব ধরে প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৬শ থেকে ১ হাজার টাকা আদায় করে নিচ্ছে। প্রাইভেট পড়ানোর আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র্র করে শিক্ষকদের মধ্যে সৃষ্টি হয় দলাদলি। উপজেলার ৪২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৩৭টি মাদ্রাসা ও ৮টি কলেজের মধ্যে হাতেগোনা অল্প কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্যতিত প্রায় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাইভেট পড়ানো নিয়মে পরিণত করেছে। এতে গরিব-অসহায় শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা প্রাইভেট পড়ানোর অর্থের যোগান দিতে গিয়ে বিপাকে পড়ছে। অভিভাবক মহল থেকে অভিযোগ উঠছে- প্রাইভেট পড়ানোর কাছে নিয়োজিত শিক্ষকরা শ্রেণি কক্ষে নাম মাত্র পাঠদান করছে। কোন জটিল পাঠ নিয়ে শিক্ষার্থীরা জানার বা বুঝার আগ্রহ প্রকাশ করলে ওই শিক্ষকরা তাদেরকে প্রাইভেট পড়তে তাগিদ দেয়। যারা প্রাইভেট পড়েনা ওই শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নসহ বিভিন্ন কাজে তাদের প্রতি বিমাতা সূলভ আচরণ করা হয় বলেও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠছে। প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি এ ব্যাপারে থাকছে নিস্ক্রিয়। প্রতিষ্ঠান প্রধানেরও নেই কোন ভূমিকা। এতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়ম শৃঙ্খলার ঘটছে অবনতি। এ ব্যাপারে আশেক আলী খান স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান ও নিশ্চিন্তপুর ডিএস কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এএসএম ফখর উদ্দিন অভিন্ন মত প্রকাশ করে বলেন, এমপিওভূক্ত শিক্ষকদের যথেচ্ছাভাবে প্রাইভেট পড়ানোতে ঝুঁকে পড়া অত্যন্ত দুঃখ জনক। এতে শিক্ষাবান্ধব সরকারের শিক্ষার উন্নয়নের নেওয়া কর্মসূচির সফল বাস্তবায়ন ব্যহত হচ্ছে। প্রাইভেট পড়ানো বন্ধ করতে কার্যকরি প্রদক্ষেপ নেওয়া আবশ্যক। উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার আহসানুল হক বলেন, কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারি বিধি-বিধান লঙ্ঘন করে প্রাইভেট পড়ানো হচ্ছে এমনি লিখিত অভিযোগ পেলে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

content_copyCategorized under