ষষ্ঠ পাতা

কচুয়ায় পুলিশের নিষেধ সত্বেও জোরপূর্বক সম্পত্তির মধ্যে বসতঘর উত্তোলনের চেষ্টা

person access_time 11 months ago access_time Total : 232 Views

কচুয়া অফিস ঃ কচুয়া থানা পুলিশের নিষেধ সত্বেও জোরপূর্বক সম্পত্তি দখলের অভিযোগের মধ্যে বসত ঘর উত্তোলনের চেষ্টা করেছে অবৈধ দখলদাররা। দখলদাররা গতকাল মঙ্গলবার এ ঘর উত্তোলনের চেষ্টা করলে কচুয়া থানা পুলিশের অভিজ্ঞ এস আই মোঃ শাহজাহান খবর পেয়ে তাৎখানিক দখলদারদের মোবাইল ফোন নাম্বার সংগ্রহ করে যোগাযোগের পর ঘর উত্তোলনের কাজ বন্ধ রাখে। প্রকাশ কচুয়া উপজেলার গোহট দক্ষিন ইউনিয়নের গোহট গ্রামের অধিবাসী সাংবাদিক মফিজুল ইসলাম বাবুলের পিতা হাজী সৈয়দ আহম্মদ নিম্ম তফসীল ভুক্ত পৈত্রিক ওয়ারিশ সম্পত্তিতে দীর্ঘ ১”শ বছর ভোগ দখল করে আসছে। এ ভোগ দখলের সম্পত্তি রেখে বর্তমানে হাজী সৈয়দ আহম্মদ পরিবারের সদসস্যদের নিয়ে একই গ্রামের নতুন বাড়ীতে বসবাস করে আসছে। এ সুযোগে তার দখলিয় ১৩৪ গোহট মৌজার বি,এস ১৪১/১নং খতিয়ানে সাবেক ২৫৮ হালে ২০৯ দাগে ভিটি বাড়ীর ৬ শতক ভূমি অংশে একই গ্রাম-বাড়ীর মৃতু রেয়াজউদ্দিনের ছেলে মোঃ সবুজ ওরফে (সোপ্পা) গত ৯ অক্টোবর ২০১৮ সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে হাজী সৈয়দ আহম্মদের ভূমি থেকে মাটি কেটে তারই সম্পত্তিতে বসত ঘর উত্তোলনের জন্য ভিটা বাধাঁর চেষ্টা করে। এছাড়াও একই বাড়ীর নুরুল ইসলামের ছেলে নজরুল ইসলাম ও ইয়ার আহম্মদ একই মৌজার সাবেক ২৫৯ হালে ২০৮ দাগে বসতি পরিত্যাক্ত সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টায় ওই হাল দাগের ২০৯ অংশের পূর্বপাশে টিনের বেড়া দিয়ে রাখে। এরই পরিপেক্ষিতে ৯ অক্টোবর ২০১৮ হাজী সৈয়দ আহম্মেদ কচুয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করে। এ অভিযোগের ভিত্তিতে এস আই শাহজাহান বিষয়টি সরজমিন তদন্ত করেন এবং উভয়কে কাগজ পত্র নিয়ে ১২ অক্টোবর বিলেল ৩ টায় থানায় হাজির হওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করে। এ নোটিশের আলোকে এ দিন সময়ে থানার গোল ঘরে ওই এসআই সহ উভয় পক্ষ বৈঠকে মিলিত হয় । বৈঠকে হাজী সৈয়দ আহম্মদ গং কাগজপত্র দলিলাধী নিলেও ওই প্রতিপক্ষরা তা না নেয়ায় পুনরায় ১৮ অক্টবর বৃহস্পতিবার বিকেলে থানার গোল ঘরে বসার সিদ্ধান্ত হয়। এরই মধ্যে প্রতিপক্ষরা ঘর উত্তোলন করতে পারবেনা বলে এসআই শাহজাহানের নির্দেশ থাকা সত্বেও তারা আজ আবার ঘর উত্তোলনের চেষ্টা করে। হাজী সৈয়দ আহম্মদ গং জানান, আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, সম্পত্তি নিয়ে কোটের রায় রয়েছে এবং কাগজপত্র দলিলাধীর বাহিরে কারো সম্পত্তি দাবীদারের প্রয়োজন আমাদের নেই। প্রতিপক্ষ গং জানান, আমরা কাগজপত্র থানায় জমা দিয়েছি। বৃহস্পতিবারে বসা হবে।পুলিশের নিষেধ থাকা সত্বেও আজ আবার ঘর উত্তোলনের চেষ্টা করলেন কেন? প্রশ্নের উত্তরে জানান, ঘর তোলা বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নজর দেয়া প্রয়োজন বলে স্থানীয় অভিজ্ঞ মহল মন্তব্য করেছে।

content_copyCategorized under