প্রথম পাতা , শীর্ষ খবর , ব্রেকিং নিউজ , হাইমচর

আমার নির্বচনী এলাকার নেতাকর্মী ভাইবোনদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল এ মনোনয়ন

person access_time 3 weeks ago access_time Total : 33 Views

এ কে আজাদ ঃ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-৩ নির্বাচনী আসন থেকে টানা তৃতীয় বারের মত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন ডা. দীপু মনি। মনোনয়নের চিঠি হাতে পেয়ে তিনি সংসদ নির্বাচনে ২৬২ চাঁদপুর-৩ নির্বাচনী আসন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা স্বাক্ষরিত দলীয় মনোনয়নের চিঠি গ্রহণ করলাম। আলহামদুলিল্লাহ্। সবার দোয়া, ভালোবাসা ও শুভকামনায় আমার নির্বচনী এলাকার প্রিয় নেতাকর্মী ভাইবোনদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল এ মনোনয়ন। আমি সবার কাছে কৃতজ্ঞ। চাঁদপুর সদর ও হাইমচরের সকল প্রানপ্রিয় সম্মানিত এলাকাবাসী ও আমার নেতাকর্মী ভাইবোনসহ সকলের প্রতি আমার বিনীত আহ্বান, আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী নির্বাচনে গনতন্ত্র, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে নৌকা প্রতীককে জয়যুক্ত করি। ডা. দীপু মনি দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের পর পর ২ বারের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক সাবেক সফল পররাষ্ট্রমন্ত্রী বর্তমানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি। আজ রবিবার সকালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে দলের পক্ষ থেকে দলের সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বাক্ষরিত চুড়ান্ত মনোনয়ন পত্র দীপু মনির হাতে তুলে দেন কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবান গোলাপ। উল্লেখ্য : ডা. দিপু মনি ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়ীত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে আওয়ামীলীগের জয়লাভের পর বাংলাদেশে প্রথম মহিলা পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে সততার সাথে দায়ীত্ব সংসদে ডা: দীপু মনি চাঁদপুর-৩ (চাঁদপুর- হাইমচর) এর প্রতিনিধিত্ব করছেন। এর সাথে সামাজিক উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক ক্ষেত্রে তাঁর অনন্য অবদানের জন্য তিনি মাদার তেরেসা আন্তর্জাতিক পুরষ্কারে ভূষিত হন। দীপু মনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং ভাষা শৈনিক ও পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র লীগের প্রথম কাউন্সিলে নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এম.এ ওয়াদুদের কন্যা। তিনি হলিক্রস কলেজ হতে এলএলবি পড়েন। এমবিবিএস ডিগ্রি লাভের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে সমঝোতা ও দ্বন্ধ নিরসন এর ওপর একটি কোর্স সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের একজন আইনজীবী । তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকা কালিন সময়ে তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতিবেশী দেশসমূহের সাথে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করে। চার দশকের সমুদ্র সীমানা সংক্রান্ত অমীমাংসিত বিষয়টি আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় নিষ্পত্তি হয়। করতে সক্ষম হয়।

শেয়ার করুনঃ
content_copyCategorized under